আলহামদুলিল্লাহ
শুক্রবার ছুটি ও আরাম আয়েশের দিন, আপনি যেদিন সুন্দর পোশাক পড়ে বেড়াতে যান রক্তসৈনিক সহযোদ্ধা তখন কাদা মাটি দিয়ে অসহায় মানুষের ঘরের ভিটা তৈরিতে কাজ করে।
শেরপুর জেলার সদর উপজেলার ধলা ইউনিয়নের ১০০+ বয়স্ক ক্বারি শামসুল হক দম্পতি ঝড়ে কিছুদিন আগে ঘর পড়ে গেছে। না আছে থাকার মতো ভালো জায়গা না আছে ৩ বেলা খাবারের ব্যবস্থা। একবেলা ডাল, ভাত ভর্তা পেলেও অন্য বেলা অনাহারে।
বিজ্ঞাপন
আর্টিকেল মধ্যবর্তী বিজ্ঞাপন
রক্তসৈনিক সদস্য, সম্মানিত উপদেষ্টা মন্ডলী ও শুভাকাঙ্ক্ষী এবং এলাকাবাসী সহযোগিতায় ঘরটি তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু এবং ভিটা তৈরি করার মতো ক্ষমতা তাদের নেই, এদিকে ভিটা তৈরি না হওয়ায় ঘরের বেড়া লাগানো যাচ্ছে না। রক্তসৈনিক ও ক্লিন আপ শেরপুর টিমের সঙ্গে পরামর্শ করলাম কি করা যায় তারা বললো ভাই আমরা নিজেরা গিয়েই ভিটা তৈরি করবো ঘরের পিড়া বানাবো যেই কথা সেই কাজ আজ শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে উঠেই চলে যায় সেই কাজে সকলের অক্লান্ত পরিশ্রমে তৈরি হয়েছে সেই ভিটা ও পিড়া ।
ইচ্ছা বা উদ্যোগ মহৎ থাকলে
ভালো কাজে স্রষ্টার সাহায্য বা তৌফিক পাওয়ার যায়। আল্লাহ বান্দাকে সৎপথ ও ভালো কাজ করার শক্তি ও অনুকূল পরিবেশ দান করেন। পবিত্র কুরআনে সৎকর্মে একে অপরকে সাহায্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🤝আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা যেসকল সহযোদ্ধা এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা এবং যেসকল মানবিক মানুষ আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন।
#রক্তসৈনিক_অসহায়_মানুষের_গৃহ_নির্মাণ_প্রকল্প





