কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট এখন তথ্য খোঁজা, পড়াশোনা, কাজের সহায়তা, কোড লেখা এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। চ্যাটজিপিটি, জেমিনি, ক্লড ও কোপাইলটের মতো বিভিন্ন চ্যাটবট মানুষের দৈনন্দিন কাজের অংশ হয়ে উঠেছে।
তবে এআই চ্যাটবট সবসময় নির্ভুল তথ্য দেয় না। কখনো ভুল বা বানানো তথ্য আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থাপন করতে পারে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্য শেয়ার করলে তথ্যের নিরাপত্তা নিয়েও ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
বিশেষ করে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব, রাসায়নিক-বৈজ্ঞানিকভাবে বিপজ্জনক বিষয়, গুরুতর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ব্যক্তিগত তথ্য, চিকিৎসা নির্ণয় এবং মানসিক স্বাস্থ্যের মতো বিষয়ে এআই ব্যবহারে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
বিজ্ঞাপন
আর্টিকেল মধ্যবর্তী বিজ্ঞাপন
১ নম্বর - ষড়যন্ত্র তত্ত্ব:
ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা যাচাইহীন দাবির বিষয়ে চ্যাটবট ভুল, অসম্পূর্ণ বা কাল্পনিক তথ্য দিতে পারে। তাই এ ধরনের তথ্য পাওয়ার পর নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তা যাচাই করা জরুরি।
২ নম্বর—রাসায়নিক, জৈবিক, রেডিওলজিক্যাল ও পারমাণবিক বিষয়:
এ ধরনের বিপজ্জনক বিষয় অত্যন্ত সংবেদনশীল। বিশেষ করে অস্ত্র তৈরি বা ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডের ব্যবহারযোগ্য নির্দেশনা চাওয়ার ক্ষেত্রে এআইয়ের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।
৩ নম্বর—গুরুতর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড:





